1. editor@mvoice24.com : Mahram Hossain : Mahram Hossain
  2. admin@mvoice24.com : admin :
মেয়েটির নাম হাঁসি আক্তার, (১৩) মা সহ থাকেন ঢাকায় ৮ ম শ্রেণীতে পড়ে ঢাকায়, গ্রামের বাড়ি পাটেশ্বরী কুরিগ্রাম - MVOICE 24
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৬:৫২ অপরাহ্ন

মেয়েটির নাম হাঁসি আক্তার, (১৩) মা সহ থাকেন ঢাকায় ৮ ম শ্রেণীতে পড়ে ঢাকায়, গ্রামের বাড়ি পাটেশ্বরী কুরিগ্রাম

ডেক্স নিউজ
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

সোহেল রানা সুমন

মেয়েটির নাম হাঁসি আক্তার, (১৩)
মা সহ থাকেন ঢাকায়
৮ ম শ্রেণীতে পড়ে ঢাকায়,
গ্রামের বাড়ি পাটেশ্বরী কুরিগ্রাম।

বেড়াতে এসেছিলেন নানার বাড়ি পাটেশ্বরীতে,
কয়দিন পরে আবার ঢাকায় ফিরে যেতে সন্ধার পরে আসেন তার মামা সহ ( মামা গাড়িতে উঠায় দিতে আসেন) আমাদের রংপুরের কামার পাড়া ঢাকা কোচ স্টান্ডে,
কিন্তু এখানে আসার পরে তার মামা দেখেন যে রাত ১০,৩০ টার আগে তাদের গন্তব্যের কোন গাড়ি নেই,
কিন্তু মামা কে ফিরে যেতে হবে ৯ টার মধ্যে নইলে সে বাসায় ফিরে যেতে পারবে না,
ইতিমধ্যেই মামা ভাগ্নির আলাপচারিতায় ঢুকে পরেন কোচ স্টান্ডের এক বখাটে,
সে এসে নিজেকে কাউন্টারের লোক বলে পরিচয় দেয় এবং তাদের সমস্যার কথা শুনে এবং হাঁসির মামা কে বলে সমস্যা নেই মামা আপনি ওকে ( হাঁসি) রেখে যান আমরা গাড়িতে তুলে দিবো,
মামা তার কথায় বিশ্বাস করে রাজি হয়ে যান,
কিন্তু সেই বখাটে যে আসলেই কোন কাউন্টারের স্টাফ নন সেটা গ্রামের সাদাসিধা মামা বুঝতে পারলো না আর তাই তার হাতে ভাগ্নীকে দিয়ে চলে গেলো পাটেশ্বরীর উদ্দেশ্যে।

কিছুক্ষণের জন্য মেয়েটি কে কাউন্টারে বসিয়ে বখাটে বাহিরে এসে আরো দুইজন বখাটে কে ডেকে এনে বিষয় টা শেয়ার করে এবং তাদের বুদ্ধি পরামর্শ অনুযায়ী মেয়েটিকে বলে গাড়ি তো আসার অনেক দেরী আছে,
চলো তোমাকে কিছু খাওয়াই মেয়েটি সরল মনে অগাধ বিশ্বাসে তাদের কথায় কাউন্টার থেকে বের হয়ে আসে,
তারপর গাড়ির স্টাফ পরিচয় দেওয়া অন্য দুই বখাটের সাথে পরিচয় করে দেয় আগের সেই বখাটে, তারপর চা নাস্তা শেষে অন্য এক বখাটে মেয়েটি কে বলে গাড়িত আজ টার্মিনাল হয়ে চলে যাবে তাহলে তুমি চলো তোমাকে টার্মিনালে গাড়িতে তুলে দিবো,
সেই কথা বলে মেয়েটিকে নিয়ে হাটা শুরু করে তাদের কু উদ্দেশ্য পূরণের জন্য টার্মিনালের দিকে,
ইতিমধ্যে আমার এক বন্ধু তাদের কে দেখে ওর
(আমার বন্ধুর) মনে সন্দেহের তীর হানা দেয় এবং সে আমাকে ফোন দিয়ে বলে যে ওরা ৩ জন মিলে একটি ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে গনেশপুর এর দিকে যাচ্ছে হাঁটতে হাঁটতে,
আমার ব্যবসায়িক কাজের জন্য আমি তখন মুলাটোল পাকারমাথায় অবস্থান করেছিলাম,
ততক্ষণে মেয়েটিকে নিয়ে ওরা আমার দোকান পার হয়ে ( পুর্ব গণেশপুর বকুলতলা) পর্যন্ত চলে গেছে আমি আর দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে বের হয়ে তাদেরকে খোঁজা শুরু করি এবং তাদের কে এক অন্ধকার যায়গাতে গিয়ে পেয়ে যাই তারপর শুরু তাদের (বখাটের) সাথে চলে বাকযুদ্ধ এক পর্যায়ে তারা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সটকে যায় সেখান থেকে এবং আমি মেয়েটি কে কোন রকম ক্ষতি ছাড়া উদ্ধার করে আমার দোকানে এনে বসাই তারপর ওর (হাঁসির) কাছ থেকে সব শুনে থানায় ফোন দেই সেকেন্ড অফিসার (এস আই) এরশাদ ভাইকে ফোন রিসিভ করলে সংক্ষিপ্ত আকারে জানাই এবং উনি বলে মেয়েটিকে থানায় নিয়ে যেতে আমি তখন হাঁসি কে নিয়ে থানায় যাই এবংএরশাদ ভাই সহ আমি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে অবগত করি।
এবং উনার নির্দেশেই পরবর্তীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে সেই রাত্রি যাপন করে ছোট্ট মেয়ে হাসি,
পরের দিন তার পরিবারের মামা এবং নানী এসে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার থেকে তাদের জিম্মায় নিয়ে যায়।

এবং বখাটে দের ব্যাপারে পরবর্তীতে অ্যাকশন নেবে বলে জানায়।

পরিশেষে আমি বলতে চাই যে ভালো-মন্দ মিলেই মানুষ,
তাই বলে কোচ স্টান্ড /টার্মিনালের মতো জায়গায় কাউকে বিশ্বাস করতে নেই নিজে সচেতন হোন অন্যকে সচেতন করুন ধন্যবাদ।

ঘটনা টি কয়েকদিন আগের সময়ের স্বল্পতার কারনে আজ শেয়ার করলাম।
ছবিটি থানার সামনে আজাদ ভাইয়ের চায়ের দোকানে তোলা।

ফেইজবুক থেকে সংগৃহীত

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরো ......
Design Customized By Our Team