1. editor@mvoice24.com : Mahram Hossain : Mahram Hossain
  2. admin@mvoice24.com : admin :
লকডাউন: মানুষের যত ঠুনকো অজুহাত! - MVOICE 24
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

লকডাউন: মানুষের যত ঠুনকো অজুহাত!

মুহাম্মদ মহরম হোসাইন
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

এমভয়েস ডেস্ক: করোনায় মৃত্যু সংক্রমণ যেন কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না। প্রতিনিয়ত এর সংক্রমনের ছোবলে প্রাণ হারাচ্ছে শত শত মানুষ। এই সংক্রমণ থেকে রেহাই পেতে সরকার দফায় দফায় লকডাউন পালন করেছেন। বর্তমানে চলছে কঠোর লকডাউন। কিন্তু সাধারণ মানুষের এই লকডাউন নিয়ে নেই মাথা ব্যথা।      যার যার ইচ্ছা মত প্রতিনিয়তই বের হচ্ছে ঘর থেকে। প্রথমে ঘরের দরজা থেকে গলির মুখ, গলির মুখ থেকে সড়কে, সড়ক থেকে মহাসড়কে চলে আসছে মানুষ। সড়ক-মহাসড়কে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করলেও তাদের থোড়াই কেয়ার করছে না সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশিকালে ঠুনকো অজুহাত দাঁড় করান মানুষ।

লকডাউনের মধ্যে জরুরী প্রয়োজনে অনেকে মাস্ক পরিধান করে বাইরে আসলেও আবার কেউ অযথা বাইরে আসছেন। এমনকি কেউ কেউ লকডাউন কেমন চলছে তা দেখতে বাইরে বের হচ্ছেন। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া অবসরে আত্মীয় বাড়িতে যাওয়ার অজুহাতও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে শূনান কেউ।

মাস্ক পরিধানের পরিমান বাড়লেও এখনো তরুণদের অনেকেই মাস্ক পকেটে ভরে রাখেন। অনেকেই মাস্ক পরিধান করলেও নিশ্বাস নিতে সমস্যা হয় অজুহাতে নাক ঢাকছেন না। আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দেখলে তড়িঘড়ি করে মাস্ক পরিধান করছেন।

চেকপোস্টে অনেকে ক্লিনিক-হাসপাতাল বা ডাক্তারের চেম্বারে যাচ্ছেন বললেও অনেকের কাছেই প্রেশক্রিপশন বা প্যাথলজিক্যাল কোন কাগজপত্র নাই। কোন হাসপাতালে যাবে সেটাও সুনির্দিষ্ট সদুত্তর দিতে পারছেন না।

প্রয়োজনের তাগিদে কাঁচা বাজার বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা। কিন্তু কাঁচা বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতা শারীরিক দূরত্ব নেই। অথচ সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে কাঁচা বাজার এবং সুপার স্টোর থেকে অনেকেই করোনা সংক্রমিত হচ্ছেন। কিন্তু তারপরও প্রতিদিন বাজারে ছুটছেন সাধারণ মানুষ।

এভাবেই চলমান লকডাউনে কারনে অকারনে অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছে। যারা আইনভঙ্গ করে বাইরে বের হচ্ছেন বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা হিসেবে ন্যুনতম জরিমানা করা হচ্ছে। জরিমানা বা শাস্তি বড় কথা নয়। করোনা প্রতিরোধে গণ সচেতেনতা অত্যন্ত জরুরী।

তবে লকডাউনে সাধারণ মানুষের জীবিকা অর্জন মারত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে করোনায় অনাকাঙ্ক্ষিত বেদনাদায়ক মৃত্যুর চেয়ে এই ক্ষতি বড় নয়। তবে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান এবং সামর্থ্যবান প্রতিটি নাগরিককে করোনায় কর্মহীন গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের খাদ্য সহায়তা নিয়ে দাঁড়ানো দরকার।

উল্লেখ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ উর্দ্ধগতি প্রতিরোধে লকডাউনের বিকল্প নেই। অতি জরুরী কাজে বাইরে গেলে অবশ্যই উপযুক্ত মাস্ক পরিধান করুন। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ অনুগ্রহ পূর্বক শতভাগ সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব মেনে চলা ও ঘন ঘন সাবানপানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে।

টিএএস/এএএম/এমএমএইচ/৪

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরো ......
Design Customized By Our Team