1. editor@mvoice24.com : Mahram Hossain : Mahram Hossain
  2. admin@mvoice24.com : admin :
রাজধানীতে বায়িং হাউজের আড়ালে মাদক প্রক্রিয়াজাতকরণ মেথ ল্যাবের সন্ধান: আটক- ৬ - MVOICE 24
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:২৯ অপরাহ্ন

রাজধানীতে বায়িং হাউজের আড়ালে মাদক প্রক্রিয়াজাতকরণ মেথ ল্যাবের সন্ধান: আটক- ৬

ডেক্স নিউজ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

এমভয়েস ডেস্ক, ঢাকা: রাজধানীর উত্তরা এলাকায় বায়িং হাউসের নামে অফিস ভাড়া নিয়ে মাদক প্রক্রিয়াজাতকরণের একটি মেথ ল্যাবে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ সময় সেখান থেকে আইস, ইয়াবা, বিদেশি মদ, গাঁজা এবং ১৩টি বিদেশি অস্ত্র, রেপলিকা অস্ত্র ও ইলেকট্রিক শক যন্ত্র, মাদক সেবনের সরঞ্জাম ও ল্যাবরেটরির সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) রাতে রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন এলাকা থেকে এই চক্রের মূলহোতাসহ ছয়জনকে আটক করে র‌্যাব।

আটক ছয়জন হলেন- মূলহোতা মো. তৌফিক হোসাইন (৩৫), মো. জামিরুল চৌধুরী ওরফে জুবেইন (৩৭), মো. আরাফাত আবেদীন ওরফে রুদ্র (৩৫), মো. রাকিব বাসার খান (৩০), মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সবুজ (২৭), মো. খালেদ ইকবাল (৩৫)।

শুক্রবার (১৮ জুন) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন মাদক প্রক্রিয়াজাতকরণের মেথ ল্যাবে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বলেন, মেথ ল্যাবটি মূল কেমিস্ট এইচএসসি পাস রুদ্র ও তার কয়েকজন সহযোগীরা পরিচালনা করতেন। তারা আইস ও ইয়াবার পরীক্ষামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। বাজার থেকে বিভিন্ন ওষুধ ও কেমিক্যাল আইসের সঙ্গে মিশিয়ে পরিমাণ বাড়িয়ে বিক্রি করতেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে ইয়াবার রং পরিবর্তন এবং ঝাক্কি তৈরি করতেন। ঝাক্কি তৈরিতে তারা তরল পানীর সঙ্গে ইয়াবা, ঘুমের ওষুধ ও অন্যান্য নেশাজাতীয় ওষুধ মেশাতেন।

শুধু মাদক প্রক্রিয়াজাতকরণই নয় কথিত ওই ল্যাবে নিয়মিত আনাগোনা ছিল মাদকসেবী তরুণ-তরুণীদের। তারা সেখানে মাদক সেবন এবং পরবর্তিতে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে লিপ্ত হতো।
এ সার্কেলে ৪০ থেকে ৫০ জন রয়েছেন, যারা নিয়মিত এই চক্রের মাদকের ক্রেতা। আইস মাদকটি দামী হওয়ায় সাধারণত বেশিরভাগ ক্রেতাই উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

চক্রটি কৌশলে সেসব কার্যকলাপ ভিডিও করে রাখতো, যা দিয়ে পরবর্তিতে তাদের করা হতো ব্ল্যাকমেলিং।
র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) জানায়, এ চক্রে ১০ থেকে ১৫ জন রয়েছেন।

অস্ত্রের ব্যবহার প্রসঙ্গে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, আটক জোবেইনের এইম গেমিংয়ের নেশা ছিল। মাদকাসক্তের পর তারা এই অস্ত্র দিয়ে এইম গেমিংয়ের নামে জুয়াও খেলতেন। এছাড়া যারা মাদক গ্রহণের জন্য আসতো তাদের ভয়ভীতি পরিদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হতো।

তিনি বলেন, চক্রের মূলহোতা ও সমন্বয়কারী তৌফিক। অর্থ যোগানদাতা জুবেইন ও খালেদ। রুদ্র কেমিস্ট হিসেবে ‘মেথ ল্যাব’ পরিচালনা করতেন। আর সবুজ মাদক সংগ্রহ ও সরবরাহকারী এবং তৌফিকসহ বাকিরা মাদক বিপণনের সঙ্গে জড়িত। রুদ্রর নামে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে এবং জুবেইনের নামে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে।

এদের মধ্যে জুবেইন লন্ডন থেকে বিবিএ, তৌফিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ, খালেদ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং রুদ্র ও সাইফুল এইচএসসি পাস।

টিএএস/এএএম/এমএমএইচ/৫

 

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরো ......
Design Customized By Our Team