1. editor@mvoice24.com : Mahram Hossain : Mahram Hossain
  2. admin@mvoice24.com : admin :
দলে ত্যাগীদের মূল্যায়ন কতটুকু? পর্ব-১ - MVOICE 24
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:১৪ অপরাহ্ন

দলে ত্যাগীদের মূল্যায়ন কতটুকু? পর্ব-১

ডেক্স নিউজ
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৪০ বার পড়া হয়েছে

দলে ত্যাগীদের মূল্যায়ন কতটুকু? পর্ব-১
আজকের নেতা- মোঃ ইদ্রিস (সাবেক ছাত্রলীগ নেতা)

লবিং নাই তো কোন পদ নাই, তালিকাতে নামও নাই। তাহলে রাজনীতি করে লাভ কি? রাজনীতি না করে লবিং স্কুলে ভর্তি হতে হবে? এমন অাক্ষেপ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে রাজপথ কাঁপানো সাবেক ছাত্র নেতাকর্মীদের। দলের দূর্দিনে হুলিয়া ও জেলজুলুম খাটা অনেক ত্যাগী ছাত্রলীগ/যুবলীগের নেতাকর্মীরা এখন নিঃস্তব্দ ও রাজনীতির অন্তরালে রয়েছে। যারা এখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আওয়ামী লীগের বিপদে জীবন দিতে প্রস্তুত। রাজপথের মিছিলে জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে বিরোধী শিবিরে কম্পন ধরিয়ে দিতে পিছপা হবেন না। তবে এসব ত্যাগী নেতারা লবিং মেইন্ডেন্ট করতে পারেননি বলে পদ বঞ্চিত, অন্তজ্বালা বুকে ধারণ করে অভিমানে দূরে সরে রয়েছেন। অতচ এসব নেতাদের কারণেই দলের আজ এত সুসংগঠিত ও শক্তিশালী। যার জৌলুশ বাংলাদেশের সর্বত্র বিরাজমান।

ত্যাগী ও বঞ্চিত সেসব নেতাদের দলের প্রতি তাদের অনুগত্য এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ড আমাদের অনলাইন নিউজ পোর্টাল mvoice24.com এর মাধ্যমে
পর্যায়ক্রমে আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আজকের তুলে ধরছি কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সদস্য
মোঃ ইদ্রিসকে। আর সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন এডিটর ইন চীফ মুহাম্মদ মহরম হোসাইন।

মোঃ ইদ্রিসঃ

চট্টগ্রামের এম ইদ্রিস সদ্য ঘোষিত কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক লীগ কমিটিতে এবার স্হান পাননি। তবে বিগত মোল্লা-পংকজ কমিটি’র কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন তিনি। তবে কি কারণে তিনি এবার বঞ্চিত জানেন না।

অতচ ১৯৯১ সালে তৎকালীন বিরোধী দলের নেত্রী আজকের দিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র পোস্টারে পঁচা বেগুন লাগানোর কারণে ছাত্রদলের এক কর্মীকে উত্তম মধ্যম দেওয়ার অভিযোগে জীবনে প্রথম মামলার আসামী হয়ে জেলে যান এম ইদ্রিস।

ছাত্রজীবনে বঙ্গবন্ধু’র ইতিহাস পড়ে নন্দনকাননের শিশুকিশোর সংগঠন জঁলসিড়ি খেলাঘরে সম্পৃক্ত হওয়া এম ইদ্রিস ১৯৮৭ সালে দলীয় মিটিং ও পোষ্টার লাগানোর মাধ্যমে তার ছাত্র রাজনীতি শুরু করে। তার সাংগঠনিক দক্ষতা দেখে ১৯৯১ সালে তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি মফিজুর রহমান তাকে নন্দনকানন ইউনিট ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব দেন। ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ওমরগনি এমইএস কলেজ ছাত্রলীগ (আজিম-লাভু) কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৩ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের (আজিম- সালাউদ্দিন) কমিটির অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারপর তিনি সম্পৃক্ত হন স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতিতে। প্রথমে চট্টগ্রাম মহানগর ও পরবর্তীতে ২০১২ সালের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত সভাপতি- মোল্লা মোঃ আবু কাওছার, সাধারন সম্পাদক- পংকজ দেব নাথ কমিটি’র কার্যনির্বাহী সদস্য হন।

মোঃ ইদ্রিস একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেব সবার কাছে পরিচিত মুখ। ছাত্র রাজনীতির বিভিন্ন পদ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদে থেকেও কোন অপরাধ ও অপকর্ম জড়ান নি। তাঁর বিরুদ্ধে নেই কোন চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ। তিনি সর্বদা এসব থেকে দূরে ছিলেন। বর্তমানে দেখা যায় কোন রকম একটা পদ পেলেই আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। অপরাধের স্বর্গরাজ্য হাবুডুবু খায় প্রতিদিন। অতচ সেদিক থেকে ইদ্রিস ছিল ভিন্ন।

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বিলুপ্ত হওয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ ইদ্রিস এমভয়েস’কে বলেন আমি পদের জন্য কাজ করি না, পদ পাই আর না পাই
বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রানপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে চট্টগ্রামের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশে রাজপথ
ছিলাম, আছি ইনশাআল্লাহ থাকবো।

সম্পাদনায়/আআম/১
২৫ অক্টোবর ২০২০ ইং

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরো ......
Design Customized By Our Team