1. editor@mvoice24.com : Mahram Hossain : Mahram Hossain
  2. admin@mvoice24.com : admin :
সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালন - MVOICE 24
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন

সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালন

ডেক্স নিউজ
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

এমভয়েস ডেস্ক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২: উপমহাদেশের রাগসঙ্গীতের কিংবদন্তি কলাকার সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ৫০তম প্রয়াণ দিবস ৬ সেপ্টেম্বর যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়েছে।

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচনা সভা ও সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সুরসম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন। এতে উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

এছাড়াও ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নবীনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার জন্মভূমি শিবপুরে দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এবং ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টম্ববর ভারতের মধ্যপ্রদেশের মাইহারে তিনি পরলোকগমন করেন।

তিনি ছিলেন সংগীতজ্ঞ সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁ ও সুন্দরী বেগমের ৩য় সন্তান। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ছিলেন খ্যাতনামা উচ্চাঙ্গ সংগীতশিল্পী ও সরোদবিশারদ। ছোটবেলায় তার বড় ভাই ফকির (তাপস) আফতাব উদ্দিন খাঁর কাছে সংগীতের হাতেখড়ি শুরু।

সুরের সন্ধানে মাত্র ১০ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে এক যাত্রাদলে যোগ দিয়ে ঘুরে বেড়ান গ্রামে গ্রামে। ওই সময় তিনি জারি-সারি, বাউল, ভাটিয়ালি, কীর্তন, পাঁচালি প্রভৃতি গানের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে কলকাতায় গিয়ে প্রখ্যাত সংগীত সাধক গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য ওরফে নুলো গোপালের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। বাঁশি, পিকলু, সেতার, ম্যাডোলিন, বেঞ্জো ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র বাজানো শেখেন সংগীত পরিচালক অমৃত লাল দত্ত ওরফে হাবু দত্তের কাছে। সেই সঙ্গে তিনি লবো সাহেব নামে এক গোয়ানিজ ব্যান্ডমাস্টারের কাছে পাশ্চাত্য রীতিতে এবং বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ অমর দাসের কাছে দেশীয় পদ্ধতিতে বেহালা শেখেন। এছাড়া হাজারী ওস্তাদের কাছে শেখেন মৃদঙ্গ ও তবলা। এভাবে তিনি সর্ববাদ্যবিশারদ হয়ে ওঠেন।

১৯১৮ সালের পর তিনি ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে। নামকরা অনেক উচ্চাঙ্গ সংগীত বাদকের গুরু ছিলেন তিনি। তিনিই প্রথম বাঙালি, যিনি সর্বপ্রথম পাশ্চাত্যে উপমহাদেশের রাগসংগীতকে পরিচিত করান। আলাউদ্দিন খাঁ ১৯৫২ সালে ভারতের সংগীত একাডমি পুরস্কার পান। ১৯৫৪ সালে আকাদেমির ফেলো নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ সালে ‘পদ্মভূষণ’ ও ১৯৭১ সালে ‘পদ্মবিভূষণ’ এবং ১৯৬১ সালে তিনি বিশ্বভারতী কর্তৃক দেশি ‘কোত্তম’ উপাধিতে এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে আজীবন সদস্যপদ দান করেন।

শান্তি নিকেতনে আমন্ত্রিত অধ্যাপক হিসেবে কিছুকাল অধ্যাপনা করেন। আলাউদ্দিন খাঁ ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের মাইহারে মদিনা ভবনে মারা যান।

টিএএস/এএএম/৯

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরো ......
Design Customized By Our Team