1. editor@mvoice24.com : Mahram Hossain : Mahram Hossain
  2. admin@mvoice24.com : admin :
কর্মচারির কাণ্ড: নতুন ব্যবসা চালু করতে মালিকের দোকানে চুরি - MVOICE 24
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন

কর্মচারির কাণ্ড: নতুন ব্যবসা চালু করতে মালিকের দোকানে চুরি

পীরজাদা মু. মহরম হোসাইন
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০২২
  • ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

এমভয়েস ডেস্ক, শনিবার, ২৩ জুলাই ২০২২: পেটের দায়ে মানুষ চুরি-ডাকাতি, খুন করে। তবে এবার নিজের নতুন ব্যবসার পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দিতে স্বয়ং মালিকে দোকানে চুরি করেছেন এক কর্মচারী। সেই চোর এতই বুদ্ধিমান যে দোকানে চুরি করার সময় সিসি ক্যামরায় ধারণকৃত ফুটেজ রিভিউ করে যাতে দেখতে না পারে তারজন্য সিসি টিভির স্টোরেজ সিস্টেম (ডিভিআর) পর্যন্ত নিয়ে যান। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম চুরি হওয়ার পর মালিক যখন দোকান বন্ধ রাখেন তখন তিনি নিয়মিত মালিকের সাথে যোগাযোগও রেখেছেন। যাতে মালিক তাকে সন্দেহ না করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তার। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন সেই কর্মচারী। এমনই তথ্য উদঘাটন করে চোরকে আটক সহ চুরির মালামাল উদ্ধার করেছেন চট্টগ্রাম নগরির চকবাজার থানা পুলিশ। আটককৃত কমচারির নাম আনিসুর রহমান (২১)।

উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ২ টি প্রিন্টার, ১ টি সিপিইউ, ১ টি মনিটর, ১ টি ল্যাপটপ (যেখানে গ্রহকদের সকল ডকুমেন্ট স্টোর করা ছিল), ১ টি ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি, সিসিটিভির ডিভিআর। চোরসহ মালামাল গত ২২ জুলাই চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া থেকে উদ্ধার করা হয়।

চুরি হওয়া দোকান ‘বাংলালুক’ এর স্বত্বাধিকারী রোটারিয়ান ফরহাদুল ইসলাম (৩৫) জানান, গত ৭ জুলাই পবিত্র ঈদুল আযাহা উপলক্ষে ৪ জন কর্মচারীকে ছুটি দিয়ে অফিস বন্ধ করি। ঈদের দুইদিন পর ১৩ জুলাই অফিস খুলতে এসে স্টাফ জাহেদ দেখেন অফিসের তালা খোলা। জাহেদ তৎক্ষনিক বিষয়টি আমাকে জানান। আমি এসে দেখি অফিসের মূল্যবান সরঞ্জাম কে বা কাহারা চুরি করে নিয়ে গেছেন। পরে আমি চকবাজার থানা গিয়ে বিস্তারিত বললে থানা পুলিশ পুলিশ এই সংক্রান্তে একটি মামলা রুজু করেন (মামলা নং ০৮(০৭)২২)। পরে চোরসহ মালামাল উদ্ধার করেন।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস জাহান এমভয়েস টুয়েন্টিফোর ডটকম’কে বলেন, বাদী ফরহাদুল ইসলাম এর চুরির মামলার আলোকে আমরা চোরকে সনাক্ত করতে দোকানের কর্মচারীদের সাথে কথা বলি। যেহেতু ঈদের বন্ধের মধ্যে সবাই ছুটিতে ছিলো তাই কাউকে সন্দেহ করা হয়নি। পরে মামলার তদন্ত অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজীব পাল তদন্ত করতে গিয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নেয়। একপর্যায়ে তদন্তকারী অফিসার নিশ্চিত হন বাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী আনিসুর রহমান এই চুরির সাথে জড়িত থাকতে পারেন কারন সে ছুটির মধ্যে গ্রামে না গিয়ে শহরে অবস্থান করেন। পরে তাকে ব্যপক জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে আনিসুর রহমান চুরির কথা স্বীকার করেন। নতুন করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করার জন্য অফিস বন্ধের সময় ১২ জুলাই ডুপ্লিকেট চাবি (আগে থেকে তার কাছে ছিল) দিয়ে অফিসের তালা খুলে গভীর রাতে প্রতিষ্ঠান থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো চুরি করে তার গ্রামের বাড়ী লোহাগাড়া থানাধীন পদুয়ায় নিয়ে যান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মালামাল উদ্ধার করে।

টিএএস/এএএম

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরো ......
Design Customized By Our Team